গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহাপরিচালকের কার্যালয়, সংগ্রহ শাখা, বাংলাদেশ রেলওয়ে, রেলভবন, ঢাকা কর্তৃক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে বাংলাদেশ রেলওয়ের মামলাসমূহ যথাযথভাবে সরকার পক্ষে পরিচালনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজ্ঞ সরকারি আইনজীবীকে আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য যোগ্য ও অভিজ্ঞ আইনজীবীদের প্যানেলভুক্তির আহ্বান জানানো হয়েছে। দেশের স্বনামধন্য ও দক্ষ আইনজীবীদের জন্য এটি একটি মর্যাদাপূর্ণ ও পেশাগতভাবে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় সুযোগ।
এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় বিভিন্ন প্যাকেজে সুপ্রীম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক আইনজীবী প্যানেলভুক্ত করা হবে। প্রাথমিকভাব ৩ (তিন) বছরের মেয়াদে এই প্যানেল গঠন করা হচ্ছে। যারা আইন পেশায় নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করতে চান এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে আইনি সেবামূলক কার্যক্রমে যুক্ত হতে আগ্রহী, তাদের জন্য এটি একটি অনন্য ক্ষেত্র। নিচে এই প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য, যোগ্যতা, আবেদন প্রক্রিয়া ও শর্তাবলী বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো।
১. প্যাকেজভিত্তিক প্যানেল আইনজীবী ও আদালত বিবরণী
| প্যাকেজ নম্বর | আদালতের নাম | রেলওয়ে অঞ্চল | আইনজীবীর সংখ্যা | মন্তব্য |
| BRPCS 1 | আপীল বিভাগ | – | ২ জন | প্রাথমিকভিত্তিতে ৩ বছরের জন্য প্যানেলভুক্ত |
| BRPCS 2 | হাইকোর্ট বিভাগ | পশ্চিমাঞ্চল | ৮ জন | প্রাথমিকভিত্তিতে ৩ বছরের জন্য প্যানেলভুক্ত |
| BRPCS 3 | হাইকোর্ট বিভাগ | পূর্বাঞ্চল | ১২ জন | প্রাথমিকভিত্তিতে ৩ বছরের জন্য প্যানেলভুক্ত |
২. যোগ্যতা ও নম্বর বন্টন ছক
| ক্রম | মূল্যায়নের বিষয় | বরাদ্দ নম্বর | সর্বনিম্ন যোগ্যতা / মন্তব্য |
| ০১ | শিক্ষাগত যোগ্যতা | ২৫ নম্বর | সর্বনিম্ন যোগ্যতার নম্বর ১৮ (স্নাতক); স্নাতকোত্তর: ২২, ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল: ২৫ |
| ০২ | সাধারণ অভিজ্ঞতা | ২০ নম্বর | আইনজীবী হিসেবে সাধারণ অভিজ্ঞতা (১৫ নম্বর ন্যূনতম ৫ বছরের জন্য) |
| ০৩ | সুনির্দিষ্ট অভিজ্ঞতা | ৪৫ নম্বর | হাইকোর্ট/আপিল বিভাগে মামলা পরিচালনার অভিজ্ঞতা (৩৩ নম্বর ন্যূনতম ১ বছরের জন্য) |
| ০৪ | প্যানেল আইনজীবীর অভিজ্ঞতা | ৫ নম্বর | অন্য কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্যানেল আইনজীবী হিসেবে অভিজ্ঞতা |
| মোট | নম্বর ও পাস মার্ক | ৯৫ নম্বর | সাক্ষাৎকারের জন্য ন্যূনতম পাস নম্বর: ৭০ |
৩. গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও যোগাযোগের তথ্য
| বিবরণ | তারিখ / সময় | বিবরণী ও ঠিকানা |
| বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | মহাপরিচালকের কার্যালয়, সংগ্রহ শাখা, বাংলাদেশ রেলওয়ে, ঢাকা |
| আবেদন জমাদানের শেষ তারিখ | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ | বিকাল ২:০০ ঘটিকা পর্যন্ত (অফিস সময়) |
| আবেদনপত্র প্রেরণের ঠিকানা | কক্ষ নং- ৪০১, রেলভবন, ঢাকা | অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) ও আহবায়ক, প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ কমিটি |
| যোগাযোগের ই-মেইল | dirp@railway.gov.bd / ddprocur@railway.gov.bd | জমাদানের সময়ের অন্তত ৩ দিন পূর্ব পর্যন্ত যোগাযোগ করা যাবে |
বাংলাদেশ রেলওয়ে Job Circular 2026 Images / PDFs

বিস্তারিত বিবরণ
বাংলাদেশ রেলওয়ে দেশের অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা। দেশের বিশাল এই পরিকাঠামো ও কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন আইনি জটিলতা, মামলা-মোকদ্দমা এবং আইনি লড়াই মোকাবিলা করতে হয়। মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের উভয় বিভাগে রেলওয়ের স্বার্থ সংরক্ষণ, যথাযথ আইনি যুক্তি উপস্থাপন এবং সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনায় বিজ্ঞ প্যানেল আইনজীবীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রেক্ষাপটে মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বর্তমান বিজ্ঞপ্তিটি পেশাদার আইনজীবীদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট ৩টি ভিন্ন প্যাকেজে আইনজীবী প্যানেলভুক্ত করা হবে। প্যাকেজ নং BRPCS 1 এর আওতায় আপিল বিভাগের জন্য ২ জন, প্যাকেজ নং BRPCS 2 এর আওতায় পশ্চিমাঞ্চল হাইকোর্ট বিভাগের জন্য ৮ জন এবং প্যাকেজ নং BRPCS 3 এর আওতায় পূর্বাঞ্চল হাইকোর্ট বিভাগের জন্য ১২ জনসহ সর্বমোট ২২ জন আইনজীবীকে প্রাথমিকভাবে প্যানেলভুক্ত করা হবে। তবে প্রয়োজন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ সংখ্যক আইনজীবী এই প্যানেলে স্থান পেতে পারেন। নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবীদের প্যানেলের মেয়াদ ৩ বছর নির্ধারিত হয়েছে, যা সন্তোষজনক কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে বিবেচিত হতে পারে।
আবেদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য বিশেষ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেসব প্রার্থী ইতিপূর্বে গত ০৫-০৩-২০২৫ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি (নং- ৫৪.০১.০০০০.০১৩.০০৭.০৯.২৫-১৩৫) এর বিপরীতে আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন, তাদের নতুন করে আবেদন করার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে যদি কোনো প্রার্থী তার পেশাগত অভিজ্ঞতা, মামলার সংখ্যা বা অর্জিত যোগ্যতার বিবরণ হালনাগাদ (Update) করতে চান, তবে তিনি পুনরায় আবেদন করতে পারবেন। এটি পূর্বের আবেদনকারীদের জন্য একটি নমনীয় ও সুযোগসুবিধাজনক পদক্ষেপ।
প্রার্থীদের শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতার মূল্যায়নে কঠোর মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়। পিপিআর-২০২৫ এবং প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ নীতিমালা-২০২১ (সংশোধিত) এর আলোকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বাছাই কাজ সম্পন্ন হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য ২৫ নম্বর এবং পেশাগত অভিজ্ঞতার জন্য ৭০ নম্বরসহ মোট ৯৫ নম্বরের ভিত্তিতে প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হবে। এর মধ্যে স্নাতক ডিগ্রির জন্য ১৮, স্নাতকোত্তরের জন্য ২২ এবং ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল’ ডিগ্রির জন্য ২৫ নম্বর বরাদ্দ রয়েছে। সাধারণ আইনজীবী হিসেবে অভিজ্ঞতা এবং সুনির্দিষ্ট হাইকোর্ট বা আপিল বিভাগে মামলা পরিচালনার অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে বাকি নম্বর নির্ধারিত হবে। মৌখিক সাক্ষাৎকারের জন্য ন্যূনতম পাশ নম্বর ৭০ নির্ধারণ করা হয়েছে। সফল প্রার্থীদের জন্য পরবর্তীতে ইন্টারভিউ বা ভাইভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে অতিরিক্ত ৫ নম্বর থাকবে।
আবেদন পদ্ধতি
আবেদন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সুনিয়ন্ত্রিত এবং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সম্পন্ন করতে হবে। নিচে আবেদন করার পদ্ধতি ধাপে ধাপে বর্ণনা করা হলো:
- প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (
www.railway.gov.bd) থেকে নির্ধারিত নমুনা আবেদন ফরম (জীবনবৃত্তান্ত ফরম) ডাউনলোড করতে হবে। - ডাউনলোডকৃত ফরম অথবা অনুরূপ ছক প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে যথাযথভাবে নিজ হাতে বা টাইপ করে পূরণ করতে হবে।
- আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল সনদপত্র ও কাগজপত্র প্রস্তুত করতে হবে।
- পূরণকৃত আবেদনপত্র এবং সকল প্রয়োজনীয় সংযুক্তি খামে ভরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডাকযোগে অথবা সরাসরি অফিসে প্রেরণ করতে হবে।
- আবেদনপত্র প্রেরণের ঠিকানা: অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো), বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং আহবায়ক, প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ কমিটি, রেলভবন (কক্ষ নং- ৪০১), ঢাকা।
নিয়োগ প্রক্রিয়া
বাংলাদেশ রেলওয়ের প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ এবং প্রতিযোগিতামূলক। নিচে নিয়োগ প্রক্রিয়ার মূল ধাপগুলো আলোচনা করা হলো:
- প্রাথমিক বাছাই ও স্ক্রুটিনি: জমাকৃত আবেদনপত্রসমূহ পিপিআর-২০২৫ এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রতিটি প্যাকেজের বিপরীতে প্রাপ্ত আবেদন থেকে সর্বোচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীদের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রণয়ন করা হবে।
- নম্বর মূল্যায়ন: প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা (সর্বনিম্ন ২৫ নম্বর) এবং পেশাগত অভিজ্ঞতা (সর্বনিম্ন ৭০ নম্বর) মূল্যায়ন করে নম্বর প্রদান করা হবে।
- মৌখিক সাক্ষাৎকার (Viva Voce): প্রাথমিক তালিকায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক সাক্ষাৎকারের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। ইন্টারভিউ বোর্ডে ৫ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। মৌখিক পরীক্ষায় পাসের জন্য ন্যূনতম নম্বর পেতে হবে।
- চূড়ান্ত প্যানেলভুক্তকরণ: শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং মৌখিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুসারে চূড়ান্তভাবে প্যানেলভুক্ত আইনজীবীদের অস্থায়ী নিয়োগ বা অন্তর্ভুক্তি প্রদান করা হবে।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
আবেদনপত্রের সাথে যেসকল প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস অবশ্যই সংযুক্ত করতে হবে, তা নিচে তালিকাভুক্ত করা হলো:
- বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত ছকে পূরণকৃত জীবনবৃত্তান্ত (CV) ফরম।
- সর্বশেষ সংগৃহীত ও সত্যায়িত ৩ (তিন) কপি পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি।
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্ম সনদের সত্যায়িত কপি।
- স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রাপ্ত আইন বিষয়ে স্নাতক (LLB) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্নাতকোত্তর বা উচ্চতর ডিগ্রির মূল সনদপত্র ও নম্বরপত্রের সত্যায়িত কপি।
- বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রদত্ত আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধনের সনদপত্র (Bar Council Certificate)।
- সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বিভাগ অথবা আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস বা অন্তর্ভুক্তির সনদপত্রের সত্যায়িত কপি।
- অন্য কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্যানেল আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির অভিজ্ঞতা থাকলে তার প্রমাণক বা সনদপত্র (যদি থাকে)।
গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ
- আবেদন শুরুর তারিখ: ইতিমধ্যে চলমান (বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
- আবেদনের শেষ তারিখ: আগামী ০৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, অফিস চলাকালীন বিকাল ২:০০ ঘটিকা পর্যন্ত।
- সাক্ষাৎকার ও পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়: প্রাথমিক তালিকা প্রকাশের পর যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য
সতর্কতা ও সাধারণ নির্দেশাবলী: নির্ধারিত তারিখ ও সময়ের পর অর্থাৎ ০৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ দুপুর ২:০০ ঘটিকার পরে প্রাপ্ত কোনো আবেদনপত্রই কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত বা বিবেচিত হবে না। ডাকযোগে প্রেরণের ক্ষেত্রে বিলম্বের দায়দায়িত্ব সম্পূর্ণ আবেদনকারীকে বহন করতে হবে। এছাড়া, কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে আইনজীবী প্যানেলভুক্তকরণ সম্পর্কিত কার্যক্রম আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে স্থগিত বা বাতিল করার সর্বময় ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। মৌখিক সাক্ষাৎকারের জন্য কোনো প্রকার টিএ/ডিএ (ভাতা) প্রদান করা হবে না।
কেন এই চাকরিতে আবেদন করবেন
বাংলাদেশ রেলওয়ের প্যানেল আইনজীবী হিসেবে যুক্ত হওয়া যেকোনো দক্ষ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী আইনজীবীর পেশাগত জীবনে একটি বিশাল মাইলফলক হতে পারে। রাষ্ট্রীয় ও জনগুরুত্বপূর্ণ খাতের অন্যতম বৃহৎ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রেলওয়ের মতো সংস্থার আইনি লড়াই পরিচালনা করার মাধ্যমে একজন আইনজীবী তার পেশাগত দক্ষতা, খ্যাতি ও পরিধি বহুগুণ বৃদ্ধি করতে পারেন। মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে নিয়মিত মামলা পরিচালনার মাধ্যমে আইনি প্র্যাকটিসের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছানোর এটি একটি দুর্দান্ত সুযোগ।
এছাড়াও, সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্যানেলভুক্ত হওয়ার ফলে পেশাগত ক্ষেত্রে সামাজিক মর্যাদা, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং দীর্ঘমেয়াদী ক্যারিয়ার গ্রোথের সুযোগ সৃষ্টি হয়। রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ নীতিমালা-২০২১ এবং নির্ধারিত কর্মপরিধি অনুযায়ী আকর্ষণীয় সম্মানী ও ভাতাদি প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে, যা আইনজীবীদের আর্থিক সচ্ছলতা ও পেশাগত স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করে। তাই যারা আইন পেশায় নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে চান এবং দেশের মূলধারার আইনি কার্যক্রমে অবদান রাখতে চান, তাদের জন্য এই প্যানেলভুক্তির সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়।
Leave a Comment